# Tags

লামায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি গাছের চারা ধ্বংস

বেলাল আহমদ,বান্দরবান প্রতিনিধি-কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বান্দরবানের লামায় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণিগাছের চারা ধ্বংস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বিকেলে লামা পৌরসভার শিলেরতুয়া এলাকার সাইমুম নার্সারিতে ১ লাখ ৫৫ হাজার চারা ধ্বংসের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার আশরাফুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাকিলা আক্তার, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ-হিল মারুফ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মঈনুল ইসলাম,উপজেলা জামায়াতের আমির কাজি মোহাম্মদ ইব্রাহিম,লামা প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়ুয়া এবং লামা মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম,রিপোর্টার্স ক্লাব সাধারণ সম্পাদক বেলাল আহমদ,বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিক সহ প্রমুখ।

উপজেলা কৃষি অফিসার আশরাফুজ্জামান বলেন,পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে দেশব্যাপী এই কার্যক্রম চলছে।

ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি গাছ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় সরকার এসব চারা উৎপাদন, রোপণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের কর্মীরা চারা ধ্বংসের পাশাপাশি নার্সারি মালিকদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে এসব গাছ উৎপাদন না করার অঙ্গীকারও নিচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, পরিবেশবান্ধব দেশি গাছের চারা যেমন আম, কাঁঠাল, নারিকেল, তাল, নিম ইত্যাদি বিনা মূল্যে বিতরণ করছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এর ফলে জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও টেকসই পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন বলেন, ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি গাছ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় এসব গাছের চারা উৎপাদন নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রণোদনার অংশ হিসেবে নার্সারি মালিকদের প্রতি চারা বাবদ ৪ টাকা করে অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। লামা উপজেলায় মোট ৬ লাখ ২৭ হাজার চারা ধ্বংস করার লক্ষ্যে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি আরো জানান, চলতি বছরের ১৫ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি গাছের চারা তৈরি, রোপণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।